পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের লেনদেনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানিটির লেনদেন আগামী ১৮ অক্টোবর, বুধবার শুরু হবে। ওইদিন কোম্পানিটি দুই স্টক এক্সচেঞ্জে ‘এন’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করবে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ডিএসইতে কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হবে “IBP”। আর কোম্পানি কোড হবে ১৮৪৯৪।

গত ৪ অক্টোবর কোম্পানিটির লটারিতে বরাদ্দপ্রাপ্ত শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হয়েছে।

এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির লটারির ড্র অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

কোম্পানির আইপিও আবেদন গত ৯ আগষ্ট শুরু হয়, যা শেষ হয় ১৬ আগস্ট। এছাড়া গত ১৬ জুলাই ইন্দোবাংলার আইপিওর সম্মতিপত্র পায় কোম্পানিটি।

এর আগে উচ্চ আদালত কোম্পানিটির আইপিও স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে। ন্যাশনাল ব্যাংকের সঙ্গে কোম্পানির ঋণ সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের পর এই সম্মতিপত্র পায় কোম্পানিটি।

কোম্পানিটির ৪ জন পরিচালক ঋণ খেলাপি হওয়ায় ন্যাশনাল ব্যাংকের পক্ষ থেকে বরিশালের অর্থ ঋণ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। এতে কোম্পানির আইপিও আবেদনে ৬ মাসের জন্য স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছিল।

এর আগে গত বছরের ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৬১৩ তম কমিশন সভায় কোম্পানিটিকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেওয়া হয়।

ইন্দো-বাংলা ফার্মা আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে এ অর্থ উত্তোলন করবে।

উত্তোলিত টাকায় অবকাঠামো নির্মাণ, মেশিনারিজ ক্রয় এবং আইপিও সংক্রান্ত খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৬ হিসাব বছর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.৬২ টাকা। শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১.৬৩ টাকা।

উল্লেখ্য, কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে এএফসি ক্যাপিট্যাল, ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং সিএপিএম অ্যাডভাইসরি লিমিটেড।

অর্থসূচক/এসএ/

 

[...]

বিস্তারিত...

" />

পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের লেনদেনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানিটির লেনদেন আগামী ১৮ অক্টোবর, বুধবার শুরু হবে। ওইদিন কোম্পানিটি দুই স্টক এক্সচেঞ্জে ‘এন’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করবে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ডিএসইতে কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হবে “IBP”। আর কোম্পানি কোড হবে ১৮৪৯৪।

গত ৪ অক্টোবর কোম্পানিটির লটারিতে বরাদ্দপ্রাপ্ত শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হয়েছে।

এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির লটারির ড্র অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

কোম্পানির আইপিও আবেদন গত ৯ আগষ্ট শুরু হয়, যা শেষ হয় ১৬ আগস্ট। এছাড়া গত ১৬ জুলাই ইন্দোবাংলার আইপিওর সম্মতিপত্র পায় কোম্পানিটি।

এর আগে উচ্চ আদালত কোম্পানিটির আইপিও স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে। ন্যাশনাল ব্যাংকের সঙ্গে কোম্পানির ঋণ সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের পর এই সম্মতিপত্র পায় কোম্পানিটি।

কোম্পানিটির ৪ জন পরিচালক ঋণ খেলাপি হওয়ায় ন্যাশনাল ব্যাংকের পক্ষ থেকে বরিশালের অর্থ ঋণ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। এতে কোম্পানির আইপিও আবেদনে ৬ মাসের জন্য স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছিল।

এর আগে গত বছরের ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৬১৩ তম কমিশন সভায় কোম্পানিটিকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেওয়া হয়।

ইন্দো-বাংলা ফার্মা আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে এ অর্থ উত্তোলন করবে।

উত্তোলিত টাকায় অবকাঠামো নির্মাণ, মেশিনারিজ ক্রয় এবং আইপিও সংক্রান্ত খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৬ হিসাব বছর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.৬২ টাকা। শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১.৬৩ টাকা।

উল্লেখ্য, কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে এএফসি ক্যাপিট্যাল, ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং সিএপিএম অ্যাডভাইসরি লিমিটেড।

অর্থসূচক/এসএ/

 

[...]

বিস্তারিত...

" />

পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের লেনদেনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানিটির লেনদেন আগামী ১৮ অক্টোবর, বুধবার শুরু হবে। ওইদিন কোম্পানিটি দুই স্টক এক্সচেঞ্জে ‘এন’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করবে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ডিএসইতে কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হবে “IBP”। আর কোম্পানি কোড হবে ১৮৪৯৪।

গত ৪ অক্টোবর কোম্পানিটির লটারিতে বরাদ্দপ্রাপ্ত শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হয়েছে।

এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির লটারির ড্র অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

কোম্পানির আইপিও আবেদন গত ৯ আগষ্ট শুরু হয়, যা শেষ হয় ১৬ আগস্ট। এছাড়া গত ১৬ জুলাই ইন্দোবাংলার আইপিওর সম্মতিপত্র পায় কোম্পানিটি।

এর আগে উচ্চ আদালত কোম্পানিটির আইপিও স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে। ন্যাশনাল ব্যাংকের সঙ্গে কোম্পানির ঋণ সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের পর এই সম্মতিপত্র পায় কোম্পানিটি।

কোম্পানিটির ৪ জন পরিচালক ঋণ খেলাপি হওয়ায় ন্যাশনাল ব্যাংকের পক্ষ থেকে বরিশালের অর্থ ঋণ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। এতে কোম্পানির আইপিও আবেদনে ৬ মাসের জন্য স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছিল।

এর আগে গত বছরের ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৬১৩ তম কমিশন সভায় কোম্পানিটিকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেওয়া হয়।

ইন্দো-বাংলা ফার্মা আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে এ অর্থ উত্তোলন করবে।

উত্তোলিত টাকায় অবকাঠামো নির্মাণ, মেশিনারিজ ক্রয় এবং আইপিও সংক্রান্ত খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৬ হিসাব বছর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.৬২ টাকা। শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১.৬৩ টাকা।

উল্লেখ্য, কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে এএফসি ক্যাপিট্যাল, ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং সিএপিএম অ্যাডভাইসরি লিমিটেড।

অর্থসূচক/এসএ/

 

[...]

বিস্তারিত...

" />