সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে ডিএসইতে আগের সপ্তাহের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও লেনদেন বেড়েছে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইতে ২ হাজার ৫৯৫ কোটি  ৭৫ লাখ ৯ হাজার  টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে ডিএসইতে ২ হাজার ৪১১ কোটি ৬৯ লাখ ৫৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করেছিল।

এ হিসেবে লেনদেন বেড়েছে ৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এদিকে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে  দশমিক ০১ শতাংশ বা   দশমিক ৬৪ পয়েন্ট। ডিএসই শরিয়াহ সূচক কমেছে  দশমিক ৪৬ শতাংশ বা ৫ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট। আর ডিএসই৩০ সূচক বেড়েছে  দশমিক ৩৪ শতাংশ বা ৬  দশমিক ২৬ পয়েন্ট।

আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৪৮টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৫৯টির, কমেছে ১৬২টির আর অপরিবর্তীত ছিল ২৩টির দর।

অন্যদিকে মোট লেনদেনের ৭৫.৮৭ শতাংশ ছিল এ ক্যাটাগরির, ৫ দশমিক ২৭ শতাংশ বি ক্যাটাগরির, ১৫ দশমিক ১৮ শতাংশ এন এবং  ৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ ছিল জেড ক্যাটাগরিরর কোম্পানির দখলে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ১১১ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ২৮৩টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২৯টির, দর কমেছে ১২৮টির। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টি কোম্পানির শেয়ার।

 

 

[...]

বিস্তারিত...

" />

সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে ডিএসইতে আগের সপ্তাহের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও লেনদেন বেড়েছে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইতে ২ হাজার ৫৯৫ কোটি  ৭৫ লাখ ৯ হাজার  টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে ডিএসইতে ২ হাজার ৪১১ কোটি ৬৯ লাখ ৫৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করেছিল।

এ হিসেবে লেনদেন বেড়েছে ৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এদিকে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে  দশমিক ০১ শতাংশ বা   দশমিক ৬৪ পয়েন্ট। ডিএসই শরিয়াহ সূচক কমেছে  দশমিক ৪৬ শতাংশ বা ৫ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট। আর ডিএসই৩০ সূচক বেড়েছে  দশমিক ৩৪ শতাংশ বা ৬  দশমিক ২৬ পয়েন্ট।

আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৪৮টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৫৯টির, কমেছে ১৬২টির আর অপরিবর্তীত ছিল ২৩টির দর।

অন্যদিকে মোট লেনদেনের ৭৫.৮৭ শতাংশ ছিল এ ক্যাটাগরির, ৫ দশমিক ২৭ শতাংশ বি ক্যাটাগরির, ১৫ দশমিক ১৮ শতাংশ এন এবং  ৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ ছিল জেড ক্যাটাগরিরর কোম্পানির দখলে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ১১১ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ২৮৩টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২৯টির, দর কমেছে ১২৮টির। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টি কোম্পানির শেয়ার।

 

 

[...]

বিস্তারিত...

" />

সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে ডিএসইতে আগের সপ্তাহের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও লেনদেন বেড়েছে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইতে ২ হাজার ৫৯৫ কোটি  ৭৫ লাখ ৯ হাজার  টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে ডিএসইতে ২ হাজার ৪১১ কোটি ৬৯ লাখ ৫৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করেছিল।

এ হিসেবে লেনদেন বেড়েছে ৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এদিকে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে  দশমিক ০১ শতাংশ বা   দশমিক ৬৪ পয়েন্ট। ডিএসই শরিয়াহ সূচক কমেছে  দশমিক ৪৬ শতাংশ বা ৫ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট। আর ডিএসই৩০ সূচক বেড়েছে  দশমিক ৩৪ শতাংশ বা ৬  দশমিক ২৬ পয়েন্ট।

আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৪৮টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৫৯টির, কমেছে ১৬২টির আর অপরিবর্তীত ছিল ২৩টির দর।

অন্যদিকে মোট লেনদেনের ৭৫.৮৭ শতাংশ ছিল এ ক্যাটাগরির, ৫ দশমিক ২৭ শতাংশ বি ক্যাটাগরির, ১৫ দশমিক ১৮ শতাংশ এন এবং  ৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ ছিল জেড ক্যাটাগরিরর কোম্পানির দখলে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ১১১ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ২৮৩টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২৯টির, দর কমেছে ১২৮টির। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টি কোম্পানির শেয়ার।

 

 

[...]

বিস্তারিত...

" />