সরবরাহ চাপ তৈরির আশঙ্কায় দেশে নিম্নমুখী হয়ে পড়েছে চিনির বাজার। এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীসহ দেশের প্রধান পাইকারি বাজারগুলোয় ভোগ্যপণ্যটির দাম প্রতি মণে (৩৭ কেজি ৩২০ গ্রাম) ৬০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিবেশী ভারত থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় চিনি আমদানি হতে পারে, এমন আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা মজুদকৃত পণ্য দ্রুত বিক্রি করে দিচ্ছেন। এ কারণে বাজারে পণ্যটির দাম কমেছে।

রাজধানীর পাইকারি বাজার ঘুরে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও পরিবেশক পর্যায়ে প্রতিমণ চিনি বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ৬৭০ টাকায়। গতকাল পণ্যটি বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৬১০ টাকায়। অর্থাৎ চিনির দাম মণপ্রতি ৬০ টাকা কমেছে। বর্তমানে পরিবেশক পর্যায়ে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৪৩ টাকা ১৪ পয়সায়। একই চিনি প্যাকেটজাতের পর খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৮-৬০ টাকায়। আর দেশীয় মিলের খোলা চিনি খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। আর প্যাকেটজাতের পর বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০ টাকা। অর্থাৎ প্যাকেটজাতের পর চিনি ১৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। অথচ এক কেজি চিনি বহনের জন্য ব্যবহূত একটি পলিব্যাগের মূল্য ১ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। রাষ্ট্রয়ত্ত বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোয় প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ৫০-৫৫ টাকায়।

[...]

বিস্তারিত...

" />

সরবরাহ চাপ তৈরির আশঙ্কায় দেশে নিম্নমুখী হয়ে পড়েছে চিনির বাজার। এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীসহ দেশের প্রধান পাইকারি বাজারগুলোয় ভোগ্যপণ্যটির দাম প্রতি মণে (৩৭ কেজি ৩২০ গ্রাম) ৬০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিবেশী ভারত থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় চিনি আমদানি হতে পারে, এমন আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা মজুদকৃত পণ্য দ্রুত বিক্রি করে দিচ্ছেন। এ কারণে বাজারে পণ্যটির দাম কমেছে।

রাজধানীর পাইকারি বাজার ঘুরে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও পরিবেশক পর্যায়ে প্রতিমণ চিনি বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ৬৭০ টাকায়। গতকাল পণ্যটি বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৬১০ টাকায়। অর্থাৎ চিনির দাম মণপ্রতি ৬০ টাকা কমেছে। বর্তমানে পরিবেশক পর্যায়ে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৪৩ টাকা ১৪ পয়সায়। একই চিনি প্যাকেটজাতের পর খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৮-৬০ টাকায়। আর দেশীয় মিলের খোলা চিনি খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। আর প্যাকেটজাতের পর বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০ টাকা। অর্থাৎ প্যাকেটজাতের পর চিনি ১৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। অথচ এক কেজি চিনি বহনের জন্য ব্যবহূত একটি পলিব্যাগের মূল্য ১ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। রাষ্ট্রয়ত্ত বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোয় প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ৫০-৫৫ টাকায়।

[...]

বিস্তারিত...

" />

সরবরাহ চাপ তৈরির আশঙ্কায় দেশে নিম্নমুখী হয়ে পড়েছে চিনির বাজার। এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীসহ দেশের প্রধান পাইকারি বাজারগুলোয় ভোগ্যপণ্যটির দাম প্রতি মণে (৩৭ কেজি ৩২০ গ্রাম) ৬০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিবেশী ভারত থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় চিনি আমদানি হতে পারে, এমন আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা মজুদকৃত পণ্য দ্রুত বিক্রি করে দিচ্ছেন। এ কারণে বাজারে পণ্যটির দাম কমেছে।

রাজধানীর পাইকারি বাজার ঘুরে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও পরিবেশক পর্যায়ে প্রতিমণ চিনি বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ৬৭০ টাকায়। গতকাল পণ্যটি বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৬১০ টাকায়। অর্থাৎ চিনির দাম মণপ্রতি ৬০ টাকা কমেছে। বর্তমানে পরিবেশক পর্যায়ে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৪৩ টাকা ১৪ পয়সায়। একই চিনি প্যাকেটজাতের পর খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৮-৬০ টাকায়। আর দেশীয় মিলের খোলা চিনি খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। আর প্যাকেটজাতের পর বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০ টাকা। অর্থাৎ প্যাকেটজাতের পর চিনি ১৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। অথচ এক কেজি চিনি বহনের জন্য ব্যবহূত একটি পলিব্যাগের মূল্য ১ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। রাষ্ট্রয়ত্ত বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোয় প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ৫০-৫৫ টাকায়।

[...]

বিস্তারিত...

" />