All Share Bazar News

All Bangla Share / Stock / Share Market DSE, CSE News

Home » Article » News Archive » খবর - লভ্যাংশ
www.sharebarta24.com
Published On - 2018-09-20 18:47:31

ইভেন্স টেক্সটাইলের পরিচালকদের শাস্তির দাবী, ২ বছরের মাথায় নো ডিভিডেন্ড!

শেয়ারবার্তা ২৪ ডটকম, ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইভেন্স টেক্সটাইল কোম্পানির বিনিয়োগকারীদের নি:স্ব করেছে। বিনিয়োগকারীদের টাকায় ব্যবসা করলেও সমাপ্ত অর্থবছর শেষে বিনিয়োগকারীদের কোন লভ্যাংশ দিচ্ছে না। অথচ কোম্পানি ঠিকই ব্যবসা করেছে। তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরে সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোন ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। ইভেন্স টেক্সটাইল কোম্পানির পরিচালকদের স্বেচ্ছাচারিতায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তবে [...] The post ইভেন্স টেক্সটাইলের পরিচালকদের শাস্তির দাবী, ২ বছরের মাথায় নো ডিভিডেন্ড! appeared first on Share Barta 24.
pujibazar.com
Published On - 2018-08-26 06:25:14

মার্জিনধারীদের তালিকা ও টিআইএন হালনাগাদের অনুরোধ এশিয়ান টাইগারের

পুঁজিবাজার রিপোর্ট: ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কাছ থেকে মার্জিন ঋণধারী বিনিয়োগকারীদের তালিকা চেয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মিউচুয়্যাল খাতের এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ড। পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডারদের ট্যাক্স আইডিন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) হালনাগাদ করার অনুরোধ করেছে ফান্ডটি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, ঘোষিত লভ্যাংশের ওপর ৫ শতাংশ কর অব্যাহতির জন্য আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) […] The post মার্জিনধারীদের তালিকা ও টিআইএন হালনাগাদের অনুরোধ এশিয়ান টাইগারের appeared first on পুঁজিবাজার.কম.
www.ajkerbazzar.com
Published On - 2018-08-19 17:58:52

শেয়ারহোল্ডারদের কী অধিকার আছে কোম্পানিতে

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোতে শেয়ার কেনার পর ১ জন বিনিয়োগকারীকে কি ধরণের অধিকার দেওয়া হয়েছে তা হয়তো অনেকেই জানেন না। তবে শেয়ার কেনার পর ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অনেক অধিকার রয়েছে তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে। আজ আমরা সেই সব অধিকার নিয়ে জানবো। বিনিয়োগকারীর অধিকার: ১। বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) ১৪ দিন এবং বিশেষ সাধারণ সভার (ইজিএম) ২১ দিন আগে নোটিশ পাওয়ার অধিকার। এতে অংশগ্রহণের অধিকার কোম্পানি আইনের ৮৫ ধারাতে বলা হয়েছে। ২। কোম্পানির ঘোষিত লভ্যাংশ অনুমোদনের অধিকার। ৩। নিরীক্ষক নিয়োগ অনুমোদনে অংশ গ্রহণের অধিকার। ৪। বার্ষিক আর্থিক বিবরণী অর্থ্যাৎ ব্যালেন্স শিট, লাভ-লোকসান হিসাব, নগদান প্রবাহ হিসাব বিবরণী, নিরীক্ষক ও পরিচালকদের প্রতিবেদন এজিএমের অন্তত ১৪ দিন আগে পাওয়ার অধিকার। এই অধিকার কোম্পানি আইনের ১৯১ ধারায় বলা হয়েছে। ৫। নিরীক্ষিত আর্থিক ও অনিরীক্ষিত অর্ধ বছরের আর্থিক বিবরণী পাওয়ার অধিকার। এছাড়া ইস্যুয়ার কোম্পানির আর্থিক অবস্থা জানার অধিকার। এখানে কোম্পানির প্রান্তিক প্রতিবেদন ইস্যুয়ার কোম্পানির ওয়েবসাইটসহ ১টি বাংলা, ইংরেজী ও অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত হবে। যা পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন। ৬। লভ্যাংশ ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে লভ্যাংশ প্রাপ্তির অধিকার। ৭। কোম্পানির মূলধন বৃদ্ধির জন্য রাইট শেয়ার ইস্যু করলে বিদ্যমান শেয়ারের অনুপাতে তা পাওয়ার, গ্রহণ কিংবা হস্তান্তরের অধিকার। এই অধিকারের কথা কোম্পানি আইনের ১৫৫ ধারায় বলা হয়েছে। ৮। কোম্পানি বিলুপ্ত হলে সকল দায় এবং অগ্রাধিকার শেয়ারহোল্ডারদের দাবী পূরণের পর অবশিষ্ট সম্পদ পাওয়ার অধিকার। ৯। কারচুপি বা দায়িত্ব পালন না করার জন্য নিরীক্ষক, পরিচালক কিংবা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার অধিকার। ১০। পরিশোধিত মূলধনের ১/১০ শতাংশ বা ততোধিক শেয়ারের অধিকারি মালিকগণ কর্তৃক মামলা করার অধিকার। যা কোম্পানি আইনের ৮৪ নং ধারায় বলা হয়েছে। ১১। ম্যানেজার নিয়োগ সংক্রান্ত চুক্তির সারাংশ পাওয়ার অধিকার। যা কোম্পানি আইনের ১৩২ নং ধারায় বলা হয়েছে। ১২। সংখ্যালঘু শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে আশ্রায় নেওয়ার অধিকার। যা কোম্পানি আইনের ২৩৩ নং ধারায় বলা হয়েছে। ১৩। কোম্পানির অনুমোদিত বা পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির বিষয়ে মতামত প্রদানের অধিকার। ১৪। স্বীয় পরিশোধিত মূলধনের অধিক দায় গ্রহণ না করার অধিকার। [...]বিস্তারিত...
pujibazar.com
Published On - 2018-08-19 06:00:24

লভ্যাংশ পাঠিয়েছে প্রগতি ইন্স্যুরেন্স

পুঁজিবাজার রিপোর্ট: বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারী ওনার্স (বিও) হিসাবে বোনাস পাঠিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের কোম্পানি প্রগতি ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে জানা গেছে, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭ সমাপ্ত অর্থবছরে এ কোম্পানির ঘোষিত বোনাস শেয়ার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে ১৯ আগস্ট শেয়ারহোল্ডারদের নিজ নিজ বিও হিসাবে জমা হয়েছে। উল্লেখ্য, সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১৩ […] The post লভ্যাংশ পাঠিয়েছে প্রগতি ইন্স্যুরেন্স appeared first on পুঁজিবাজার.কম.
www.ajkerbazzar.com
Published On - 2018-08-18 13:11:52

কোন মিউচ্যুয়াল ফান্ডে লাভ বেশি!

বিশ্বের সবখানে মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগকে নিরাপদ বলে মনে করা হয়। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে সাধারণ মানুষ মিউচ্যুয়াল ফান্ডে অনেক বেশি বিনিয়োগ করেন। তবে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ওপর এখনও বিনিয়োগকারীদের আস্থা আসেনি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, ইক্যুইটি শেয়ারের মতো মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ক্লিয়ার ধারণা এবং ফান্ড ম্যানেজারদের স্বচ্ছতা বাড়লে এই খাতেও আস্থা আসবে। মিউচ্যুয়াল ফান্ড কি? কালেক্টিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড বা মিউচ্যুয়াল ফান্ড হচ্ছে এক ধরণের বিনিয়োগ, যা বিনিয়োগকারীদের কাছে ইউনিট বিক্রির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান শেয়ার, বন্ড, ঋণপত্র, এফডিআর ইত্যাদিতে বিনিয়োগ করে। এই একত্রিত বিনিয়োগকে বিনিয়োগযোগ্য দলিলে রূপান্তর করে। যা মিউচ্যুয়াল ফান্ডের পোর্টফোলিও নামে পরিচিত। প্রতিটি ইউনিটের বিনিয়োগকারী ওই ফান্ডের মালিকানার অংশ প্রাপ্য হয়, সেই অনুযায়ী আয়ও পেয়ে থাকে। তবে আরও সহজভাবে বলতে গেলে ধরুন, আপনি পুঁজিবাজারে টাকা খাটাতে চান। অথচ কোন শেয়ারে কখন কত টাকা খাটাবেন, তা নিয়ে আপনার কোন ধারণা নেই। এক্ষেত্রে সোজা উপায় হল, মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনেক বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে টাকা তুলে সেই টাকা দিয়ে যখন একসঙ্গে প্রচুর শেয়ার কেনা হয়, তাকে বলে মিউচ্যুয়াল ফান্ড স্কিম। তাই মিউচ্যুয়াল ফান্ড কোনো কোম্পানির শেয়ার নয় এবং এর আয় নির্ভর করে অর্থ বাজার ও শেয়ারবাজারের ওঠানামার উপর। এ বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত মুনাফা সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি তার খরচ বাদ দিয়ে উদ্যোক্তা ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মাঝে লভ্যাংশ হিসেবে ভাগ করে দেয়। মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রকার: প্রত্যেক তহবিলের একটি পূর্ব পরিকল্পিত বিনিয়োগের উদ্দেশ্য থাকে। যেমন আয়ের প্রত্যাশা, সম্পদের সুরক্ষা, ঝুঁকি ইত্যাদি। যার ওপর নির্ভর করে তহবিলের সম্পদ ব্যবস্থাপনা করা হয়। বিনিয়োগের এসব বিবেচনা করে সম্পদ ব্যবস্থাপক ৩ ধরনের তহবিল গঠন করে থাকে। # ইক্যুইটি ফান্ড। # ফিক্সড ইনকাম ফান্ড। # ইনডেক্স ফান্ড। মিউচ্যুয়াল ফান্ড মূলত ২ প্রকার। মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং বে-মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ড। মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ড: এ ফান্ডের নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে, প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের মাধ্যমে ইস্যু করা হয়। মেয়াদ শেষে যা অবশিষ্ট থাকবে তা বিতরণ করে এর ফান্ড বিলুপ্ত হয়। তবে এই ফান্ডে যখন ইচ্ছা টাকা তোলা যাবে না। তালিকাভুক্ত মেয়াদি ফান্ড থেকে বিনিয়োগ প্রত্যাহার করতে হলে সেকেন্ডারি মার্কেটে ইউনিটের বাজার মূল্যই ভরসা। বাজার মূল্যের ভিত্তিতে বিনিয়োগকারীরা ইউনিটের লেনদেন করতে পারেন। বে-মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ড: বে-মেয়াদি ফান্ড স্বাধীনভাবে চাহিদার ওপর নতুন ইউনিট ইস্যু করতে পারে কিংবা ইউনিট পুনঃক্রয় করে কমিয়ে দিতে পারে। এই ধরণের মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন করা হয় নেট সম্পদ মূল্যের ওপর। এটা কখনও বিলুপ্তি হয় না।  মেয়াদি বা ক্লোজ-এন্ড ফান্ডের কিছু বৈশিষ্ট্য: ১। এই ফান্ডে তহবিল খাটে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য।বাংলাদেশে এই ধরণের ফান্ডগুলোর মেয়াদ সাধারণত ১০ বছরের হয়। ২। মেয়াদ পূর্ণ হলে ফান্ডের অবসায়ন ঘটানো হয়। তবে সেটা নির্ভর করে অধিকাংশ ইউনিটহোল্ডারদের সিদ্ধান্তের ওপর। এর মধ্যে হিসাব বছর শেষে ট্রাস্টি ইউনিটহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করে। ৩। সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করে। ৪। পুঁজিবাজারের মাধ্যমেই ইউনিট লেনদেন করা যায়। এতে অনেক সময় এনএভি থেকে অনেক কম মূল্য লেনদেন হয় মার্কেটে। তাতে লোকসান হয় বিনিয়োগকারীদের। ৫। মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ড মেয়াদ শেষে ওপেন এন্ড ফান্ডে রূপান্তরিত হয়। তবে সেটা নির্ভর করে অধিকাংশ ইউনিটহোল্ডারদের সিদ্ধান্তের ওপর।  বে-মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বৈশিষ্ট্য: ১। এই ফান্ডে তহবিলের মেয়াদ নির্দিষ্ট থাকে না। ইউনিট সংখ্যারও কোনো নির্দিষ্টতা থাকে না। ২। বে-মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ড কোনো স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয় না। ৩। বে-মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লিক্যইডেশন কম হয়ে থাকে। কার্যদিবস শেষে প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হিসাব করা হয়।তবে বাংলাদেশে সপ্তাহে একবার প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হিসাব করা হয়। ৪। এই ধরণের ফান্ডে ক্যাশ রিজার্ভের প্রয়োজন রয়েছে। ৫। বে-মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ড এনএভি অনুযায়ী বিক্রি করা যায়। [...]বিস্তারিত...
www.ajkerbazzar.com
Published On - 2018-08-18 10:00:39

সপ্তাহজুড়ে ২১ প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত ২১ প্রতিষ্ঠান গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানগুলো ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭ এবং ৩০ জুন, ২০১৮ সমাপ্ত হিসাব বছরের লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। অ্যাপেক্স ট্যানার লিমিটেড: অ্যাপেক্স ট্যানারির পরিচালনা পর্ষদ ২০১৭-২০১৮ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৫৩ টাকা। শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৭২.২৪ টাকা। রিলায়েন্স ওয়ান ফার্স্ট স্ক্রিম অব রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স মিউচ্যুয়াল ফান্ড: ফান্ডটি ৩০ জুন, ২০১৮ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ইউনিট হোল্ডারদের জন্য ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে। আলোচ্য সময়ে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে। এদিকে, বাজার মূল্যে ফান্ডটির প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৩.৮১ টাকা। আর ক্রয় মূল্যে ফান্ডটির প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১১.৯৫ টাকা। ফান্ডটির রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর। আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড: আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি ইউনিটধারীদের জন্য ৬ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ৬২ পয়সা। এছাড়া ক্রয় মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৩.৮৬ টাকা। আর বাজার মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১০.৭৩ টাকা। আইসিবি এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান: স্কিম ওয়ান: আইসিবি এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান : স্কিম ওয়ান ফান্ডের ট্রাস্টি ইউনিটধারীদের জন্য সাড়ে ৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ৬১ পয়সা। এছাড়া ক্রয় মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১২.৩৫ টাকা। আর বাজার মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ৭.৯৯ টাকা। প্রাইম ব্যাংক ফার্স্ট আইসিবি এএমসিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড: প্রাইম ব্যাংক ফার্স্ট আইসিবি এএমসিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি ইউনিটধারীদের জন্য ৭ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ৭৫ পয়সা। এছাড়া ক্রয় মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১২.২০ টাকা। আর বাজার মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ৮.৬২ টাকা। ফিনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড: ফিনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি ইউনিটধারীদের জন্য ৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ৫২ পয়সা। এছাড়া ক্রয় মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১২.০৯ টাকা। আর বাজার মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ৮.৩৮ টাকা। আইসিবি এএমসিএল থার্ড এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড: আইসিবি এএমসিএল থার্ড এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি ইউনিটধারীদের জন্য ৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ৫৭ পয়সা। এছাড়া ক্রয় মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১১.৯৯ টাকা। আর বাজার মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ৭.৯৯ টাকা। আইএফআইএল ইসলামিক মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান: আইএফআইএল ইসলামিক মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি ইউনিটধারীদের জন্য ৯ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ৯৬ পয়সা। এছাড়া ক্রয় মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১১.৯১ টাকা। আর বাজার মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ৯.৩৮ টাকা। আইসিবি এএমসিএল সোনালী ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড: আইসিবি এএমসিএল সোনালী ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি ইউনিটধারীদের জন্য ৭ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ৭৫ পয়সা। এছাড়া ক্রয় মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১১.৫৯ টাকা। আর বাজার মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ৯.৩৬ টাকা। আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট অগ্রণী ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড: আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট অগ্রণী ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি ইউনিটধারীদের জন্য সাড়ে ৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ৬০ পয়সা। এছাড়া ক্রয় মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১০.৯৭ টাকা। আর বাজার মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১০.১৭ টাকা। পিএইচপি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান: মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি ইউনিটধারীদের জন্য ৩ শতাংশ ক্যাশ ও ৬ শতাংশ রি-ইনভেসএমন্ট ইউনিট (বোনাস) ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ৯২ পয়সা। এছাড়া ক্রয় মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১১.৫১ টাকা। আর বাজার মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১১.৩১ টাকা। ইউনিট প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিইউ) ১.০৯ টাকা। পপুলার লাইফ মিউচ্যুয়াল ফান্ড: মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি ইউনিটধারীদের জন্য ২ শতাংশ ক্যাশ ও ৫.৫০ শতাংশ রি-ইনভেসএমন্ট ইউনিট (বোনাস) ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ৭৭ পয়সা। এছাড়া ক্রয় মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১১.৬৬ টাকা। আর বাজার মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১১.৩১ টাকা। ইউনিট প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিইউ) ১.০৮ টাকা। ইবিএল এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড: মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি ইউনিটধারীদের জন্য ২ শতাংশ ক্যাশ ও ৭ শতাংশ রি-ইনভেসএমন্ট ইউনিট (বোনাস) ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ৮৯ পয়সা। এছাড়া ক্রয় মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১১.৩৬ টাকা। আর বাজার মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১১.৪৯ টাকা। ইউনিট প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিইউ) ০.৮৭ টাকা। এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড: মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি ইউনিটধারীদের জন্য ২ শতাংশ ক্যাশ ও ৮ শতাংশ রি-ইনভেসএমন্ট ইউনিট (বোনাস) ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ১.০৪ টাকা। এছাড়া ক্রয় মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১১.৮৯ টাকা। আর বাজার মূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১২.০৪ টাকা। ইউনিট প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিইউ) ১.২০ টাকা। আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য ৭ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ২ শতাংশ ক্যাশ ও ৫ শতাংশ রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট। ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয় আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর। সমাপ্ত বছরে ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ৭৩ পয়সা এবং বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১১ টাকা ২৬ পয়সা আর ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে এনএভি হয়েছে ১১ টাকা ৫৮ পয়সা। এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য ১১ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ২ শতাংশ ক্যাশ ও ৯ শতাংশ রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট। ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয় আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর। সমাপ্ত বছরে ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ১ টাকা ১১ পয়সা এবং বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১১ টাকা ৫৯ পয়সা আর ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে এনএভি হয়েছে ১১ টাকা ৫৮ পয়সা। ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ২ শতাংশ ক্যাশ ও ৮ শতাংশ রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট। ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয় আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর। সমাপ্ত বছরে ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ১ টাকা ০৮ পয়সা এবং বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১১ টাকা ৮১ পয়সা আর ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে এনএভি হয়েছে ১১ টাকা ৬৩ পয়সা। ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য ৮ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ২ শতাংশ ক্যাশ ও ৬ শতাংশ রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট। ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয় আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর। সমাপ্ত বছরে ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ৮৪ পয়সা এবং বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১১ টাকা ৩৬ পয়সা  আর ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে এনএভি হয়েছে ১১ টাকা ৬৯ পয়সা। ফিক্সড বাংলাদেশ ইনকাম ফান্ড ফিক্সড বাংলাদেশ ইনকাম ফান্ড ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য ৯ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।  এর মধ্যে ২ শতাংশ ক্যাশ ও ৭ শতাংশ রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট। ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয় আগামী ১৩  সেপ্টেম্বর। সমাপ্ত বছরে ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ৯১ পয়সা এবং বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১২ টাকা ১ পয়সা আর ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে এনএভি হয়েছে ১১ টাকা ৫০ পয়সা। ইবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ২ শতাংশ ক্যাশ ও ৮ শতাংশ রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট। ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয় আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর। সমাপ্ত বছরে ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ১ টাকা ৪ পয়সা এবং বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১১ টাকা ৪৪ পয়সা আর ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে এনএভি হয়েছে ১১ টাকা ৪৭ পয়সা। সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স: সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ২০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেয়ার  ঘোষণা দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৯৭ টাকা। শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২০.০২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর অর্থ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.২৪ টাকা (নেগেটিভ)। ঘোষিত ডিভিডেন্ড ও আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটি আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর, সকাল সাড়ে ১১টায় এমএইচ শমরিতা হাসপাতাল অ্যান্ড মেডিকেল কলেজ অডিটরিয়াম, ১১৭ তেজগাঁও-লাভ রোড, ঢাকাতে বার্ষিক সাধারণ সভা করবে। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর।   [...]বিস্তারিত...
www.ajkerbazzar.com
Published On - 2018-08-16 05:39:01

৬ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৬ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। ফান্ডগুলোর ট্রাস্টি ৩০ জুন, ২০১৮ হিসাব বছরের জন্য এই লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য ৮ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ২ শতাংশ নগদ ও ৬ শতাংশ রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট। লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয় আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর। সমাপ্ত বছরে ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ৮৪ পয়সা এবং বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১১ টাকা ৩৬ পয়সা  আর ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে এনএভি হয়েছে ১১ টাকা ৬৯ পয়সা। ফিক্সড বাংলাদেশ ইনকাম ফান্ড ফিক্সড বাংলাদেশ ইনকাম ফান্ড ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য ৯ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।  এর মধ্যে ২ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট। লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয় আগামী ১৩  সেপ্টেম্বর। সমাপ্ত বছরে ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ৯১ পয়সা এবং বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১২ টাকা ১ পয়সা আর ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে এনএভি হয়েছে ১১ টাকা ৫০ পয়সা। ইবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ২ শতাংশ নগদ ও ৮ শতাংশ রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট। লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয় আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর। সমাপ্ত বছরে ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ১ টাকা ৪ পয়সা এবং বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১১ টাকা ৪৪ পয়সা আর ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে এনএভি হয়েছে ১১ টাকা ৪৭ পয়সা। আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য ৭ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ২ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট। লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয় আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর। সমাপ্ত বছরে ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ৭৩ পয়সা এবং বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১১ টাকা ২৬ পয়সা আর ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে এনএভি হয়েছে ১১ টাকা ৫৮ পয়সা।   এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য ১১ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ২ শতাংশ নগদ ও ৯ শতাংশ রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট। লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয় আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর। সমাপ্ত বছরে ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ১ টাকা ১১ পয়সা এবং বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১১ টাকা ৫৯ পয়সা আর ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে এনএভি হয়েছে ১১ টাকা ৫৮ পয়সা। ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ২ শতাংশ নগদ ও ৮ শতাংশ রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট। লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয় আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর। সমাপ্ত বছরে ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ১ টাকা ০৮ পয়সা এবং বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১১ টাকা ৮১ পয়সা আর ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে এনএভি হয়েছে ১১ টাকা ৬৩ পয়সা। অর্থসূচক/এসএ/ [...]বিস্তারিত...
www.ajkerbazzar.com
Published On - 2018-08-16 04:20:46

সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ২০% লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য  ২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই বোনাস। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটি ২০১৭ সালের সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। জানা গেছে, কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯৭ পয়সা। আর সমন্বিত এনএভি হয়েছে ২০ টাকা ২ পয়সা।     [...]বিস্তারিত...
www.ajkerbazzar.com
Published On - 2018-08-14 10:13:59

পিএইচপি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৯% লভ্যাংশ ঘোষণা

পিএইচপি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ৩০ জুন, ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ৯ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ৩ শতাংশ নগদ ও ৬ শতাংশ রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। মঙ্গলবার ট্রাস্টি কমিটির সভায় এ লভ্যাংশের সিদ্ধান্ত হয়। লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয় আগামী  ১৩ সেপ্টেম্বর। সমাপ্ত বছরে বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি নেট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১১ টাকা ৩১   পয়সা ও ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ৯২  পয়সা। আর ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে এনএভি হয়েছে ১১ টাকা ৫১  পয়সা।     [...]বিস্তারিত...
www.ajkerbazzar.com
Published On - 2018-08-13 10:47:33

লভ্যাংশ দেবে না পদ্মা লাইফ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে  ১০ সেপ্টেম্বর। কোম্পানিটি লভ্যাংশ না দেওয়ায় ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নেমে গেছে। আগামীকাল থেকে কোম্পানিটির শেয়ার ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হবে। উল্লেখ্য, বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার কিনতে আগামীকাল থেকে কোনো ঋন সুবিধা দেওয়া যাবে না।   [...]বিস্তারিত...
www.ajkerbazzar.com
Published On - 2018-08-7 17:50:14

‘জেড’ কোম্পানির শেয়ার নিয়ে বিপাকে বিনিয়োগকারীরা

দুর্বল মৌলভিত্তির বা ‘জেড’ গ্রুপের কোম্পানির বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। ইতোমধ্যে দুটি কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করা হয়েছে এবং তালিকাচ্যুতের প্রক্রিয়ায় রয়েছে আরও ১৩টি কোম্পানি। পর্যায়ক্রমে জেড গ্রুপের বাকি কোম্পানিগুলোর কার্যক্রমও খতিয়ে দেখে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ায় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। ডিএসইর এমন কঠোর অবস্থানের কারণে জেড কোম্পানির শেয়ার কেনা বিনিয়োগকারীরা বিপাকে পড়েছেন। অনেকেই লোকসানে শেয়ার বিক্রি করতে চাইলেও ক্রেতা পাচ্ছেন না। ডিএসইর দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বলছেন, দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ার নিয়ে একশ্রেণির বিনিয়োগকারী বাজারে অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি করছে। বাজারে গুজব ছড়িয়ে কিছুকিছু কোম্পানির শেয়ারদাম বাড়িয়ে অস্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে। অথচ দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলো বছরের পর বছর ধরে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে পারছে না। এ জন্য বাজারকে শৃঙ্খলার ভেতরে আনতে তালিকাচ্যুতের মতো কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এদিকে শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, লোভে পড়ে কিছু বিনিয়োগকারী হুজুগে দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ার কেনেন। অথচ এসব কোম্পানি বছরের পর বছর লভ্যাংশ দিচ্ছে না, এমনকি উৎপাদান বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমও বন্ধ। ডিএসই থেকে এসব কোম্পানি তালিকাচ্যুত করার যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তা সঠিক। এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত ছিল, যাতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এই তালিকাচ্যুতের ক্ষেত্রে একটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় গত ১৮ জুলাই মডার্ন ডাইং অ্যান্ড স্ক্রিন প্রিন্টিং এবং রহিমা ফুডকে ডিএসইর ২০১৫ সালের লিস্টিং রেজুলেশনের ৫২ (১) (সি) ধারা অনুযায়ী মূল মার্কেট থেকে তালিকাচ্যুত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় লিস্টিং রেজুলেশনের ৫১ (১)(এ) ধারা অনুযায়ী, পাঁচ বছর ধরে লভ্যাংশ না দেয়া ১৩টি কোম্পানির পারফর্মেন্স রিভিউ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই। এ বিষয়ে মঙ্গলবার (৭ আগস্ট) বিনিয়োগকরীদের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তাও প্রকাশ করেছে দেশের এই প্রধান শেয়ারবাজার। যে ১৩ কোম্পানির বিষয়ে সতর্কবার্তা দেয়া হলো- মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, দুলামিয়া কটন, সমতা লেদার, শ্যামপুর সুগার মিলস, জিল বাংলা সুগার মিলস, ইমাম বাটন, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ), সাভার রিফ্রেক্টরিজ, বেক্সিমকো সিনথেটিক্স, শাহিন পুকুর সিরামিক এবং জুট স্পিনার্স। এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে ডিএসইর পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, ১৩টি কোম্পানির বিষয়ে সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে। যারা এই কোম্পানির শেয়ার কিনছে এটা তাদের জন্য সতর্কবার্তা। এই কোম্পানিগুলোকে ডাকা হবে এবং উদ্যোক্তার সঙ্গে কথা হবে। তারপর আমরা আমাদের অ্যাকশনে চলে যাবো। এটা এখানেই থেমে থাকবে না। জাঙ্ক এবং জেড কোম্পানির সব শেয়ারের ক্ষেত্রে আমাদের এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, আমাদের পরিচালনা পর্ষদ শতভাগ নিরপেক্ষ। আমরা অনেক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা জাঙ্ক শেয়ার নিয়ে খেলাধুলা করার সুযোগ দেব না। ভালো শেয়ার নিয়ে খেলা করেন, আমরা হ্যাপি। জাঙ্ক এবং জেড কোম্পানির বিষয়ে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছি, কারণ আমরা ভালো কিছু করতে চাই। এভাবে চলতে পারে না। ভালো কোম্পানির শেয়ার পড়ে থাকবে, আর নন-পারফর্মেন্স কোম্পানিকে আপনি উৎসাহিত করবেন, এটা হতে পারে না। আমরা বোর্ডে আছি, বোর্ডের একটা দায়িত্ব আছে। আমরা যা কিছু করবো, একটি ভালো পুঁজিবাজারের জন্য করবো। ডিএসইর এমন কঠোর পদক্ষেপের কারণে মঙ্গলবার লেনদেনের শুরু থেকেই উৎপাদন বন্ধ থাকা ও লোকসানি জেড ক্যাটাগরির শেয়ার নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বিনিয়োগকারীরা। ফলে লেনদেনের শুরুতেই জেড ক্যাটাগরির বেশকিছু কোম্পানিতে ক্রেতা সংকট দেখা যায়। ফলে দিনের লেনদেন শেষে জেড গ্রুপের ৪৩টি কোম্পানির মধ্যে ২৯টিরই দাম আগের দিনের তুলনায় কমে যায়। আর ডিএসই যে ১৩টি কোম্পানির বিষয়ে সতর্কবার্তা প্রকাশ করে তার সাতটিই দাম কামার শীর্ষ দশে স্থান করে নেয়। আরাফাত নামের এক বিনিয়োগকারী বলেন, দাম বাড়বে এমন সংবাদ শুনে জেড গ্রুপের একটি কোম্পানির শেয়ার কিনেছিলাম। কিন্তু দুটি কোম্পানি তালিকচ্যুত করার পর ওই কোম্পানির শেয়ারের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। কিন্তু এ দামেও শেয়ার বিক্রি করতে পারছি না। এ পরিস্থিতিতেই ১৩টি কোম্পানির বিষয়ে সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে ডিএসই। ফলে শেয়ারের দাম আরও কমে গেছে। শুধু আরাফাত নয়, অনেক বিনয়োগকারী এখন জেড গ্রুপের কিছু কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করতে ক্রেতা পাচ্ছেন না। মঙ্গলবার বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ঘুরে দেখা যায়, জেড গ্রুপের শেয়ার কিনেছেন এমন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে পুঁজি হারানোর আতঙ্ক রয়েছে। অনেকে দাম কমিয়ে শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব দিচ্ছেন, কিন্তু কোনো ক্রেতা পাচ্ছেন না। মো. শহিদুল নামের এক বিনিয়োগকারী বলেন, দাম বাড়বে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ৩৩ টাকা দরে একটি কোম্পানির কিছু শেয়ার কিনে ছিলাম। কিন্তু এরপরই ডিএসই দুটি কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করে, যার কারণে টানা দাম কমে একপর্যায়ে ২২ টাকায় চলে আসে। এরপর একটি মাধ্যমে বাজারে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে জেড গ্রুপের আর কোনো কোম্পানিকে ডিএসই তালিকাচ্যুত করবে না। এতে আবার কোম্পানিটির শেয়ার দাম বাড়তে থাকে। কিন্তু মঙ্গলবার ডিএসই থেকে তথ্য প্রকাশের পর দাম কমিয়েও কোম্পানিটির শেয়ার বিক্রি করতে পারিনি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাবেক চেয়ারম্যান এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, অনেক কোম্পানি উৎপাদনে নেই, দীর্ঘদিন ধরে লভ্যাংশ দেয় না। অথচ সেগুলোর দাম বাড়তে থাকে। হুজুগে মেতে অনেকে আবার সেই শেয়ার কেনে। কাজেই নতুন নতুন বিনিয়োগকারী যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য প্রয়োজনে তালিকাচ্যুত করা উচিত। এ তালিকাচ্যুত ইন্টারন্যাশনাল স্টান্ডার্ড মেনে করা উচিত। তিনি বলেন, এ কোম্পানিগুলো তালিকাচ্যুত না করলে যার কাছে শেয়ার আছে সে হয় তো ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। কিন্তু যে বিনিয়োগকারী নতুন করে এসব শেয়ার কিনবে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরের জন্য তালিকাচ্যুত করতে হবে। তারপর কোম্পানি আইনে দেখতে হবে শেয়ারহোল্ডারা কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে। কোম্পানির যে সম্পদ আছে তা বিক্রি করে শেয়ারহোল্ডাররা পাবেন কি না তা কোম্পানি আইনে দেখতে হবে। [...]বিস্তারিত...
www.ajkerbazzar.com
Published On - 2018-08-7 10:27:45

৬ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি সভা ১৪ আগস্ট

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ছয় মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি সভার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ফান্ডগুলোর সভা আগামী ১৪ আগস্ট দুপুর ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ফান্ডগুলো হচ্ছে- এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ফিক্সড বাংলাদেশ ইনকাম ফান্ড, ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও ইবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড। সভায় ফান্ডগুলোর ৩০ জুন, ২০১৮ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। সভা থেকে আসতে পারে লভ্যাংশের ঘোষণা। [...]বিস্তারিত...
www.ajkerbazzar.com
Published On - 2018-08-7 08:22:04

শাইনপুকুর সিরামিককেও তদন্ত করবে ডিএসই

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি শাইনপুকুর সিরামিকস লিমিটেডেরও কর্মক্ষমতা তদন্ত করবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, কোম্পানিটি গত ৫ বছরে ক্যাশ/বোনাস কোনো ধরনের লভ্যাংশ দেয়নি। তাই কোম্পানির কর্মক্ষমতা তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই। এর আগে ডিএসই আরও ১২ কোম্পানিকে তদন্ত করার তালিকা প্রকাশ করেছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, দুলামিয়া কটন স্পিনিং মিলস, সমতা লেদার কমপ্লেক্স, শ্যামপুর সুগার মিলস, জিল বাংলা সুগার মিলস, ইমাম বাটন ইন্ডাস্ট্রিজ, মেঘনা কনডেন্স মিল্ক, কে অ্যান্ড কিউ, সাভার রিফ্যাক্ট্ররিজ, বেক্সিমকো সিনথেটিক্স ও জুট স্পিনার্স লিমিটেড। [...]বিস্তারিত...